Headlines

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

নিউজ ডেস্ক   |  01:32, January 22, 2020

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেছে।বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগ অনেক বিভাগে। এটি শিক্ষিত খাতে করতে চান বেকারদের পক্ষে এটি একটি বিশাল সুযোগ। রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের দেশের অন্যতম মূল্যবান একটি প্রতিষ্ঠান। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বিআরআর) ০৬ টি অনুষদের অধীনে বিভাগগুলিতে ২১ টি স্নাতক প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে .. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের চাকরির সুযোগের ফলে যে কেউ এই সুযোগটি নিতে পারবেন। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ সরকারী খাতে যোগ দিতে চায়। এই ক্ষেত্রে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় বেকারদের জন্য একটি দুর্দান্ত সুযোগ এনেছে।আপনি যদি এই কাজের জন্য আবেদন করতে চান তবে আপনার আবেদনটি ২৩ জানুয়ারী এবং ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২০ (4 অপরাহ্ন) এর মধ্যে জমা দিতে হবে।এই বিজ্ঞপ্তির সকল তথ্য নিম্নে প্রদান করা হলঃ-

বেতন স্কেলঃ ৮,৫০০-২০,৫৭০/- থেকে ৫০,০০০-৭১,২০০/-

আবেদনের সময়সীমাঃ ২৩ জানুয়ারি ও ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

 

Source: Jugantor, 05 January 2020

Application Deadline: 23 January 2020

 

Source: Kalerkantha, 05 January 2020

Application Deadline: 23 January 2020

 

Source: Samakal, 21 January 2020

Application Deadline: 10 February 2020 

 

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সার্কুলার

নারী জাগরণের পথিকৃত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মৃতি রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় ৩,৫৩,০০,০০০/-টাকা ব্যয়ে ১ জুলাই, ২০০১ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলাধীন পায়রাবন্দ গ্রামে বেগম রোকেয়ার নিজ বাড়ী সংলগ্ন ৩.১৫ একর ভূমিতে ‌‍বেগম রোকেয় স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপিত হয়।নির্মিতি অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে মুলভবন -১৪,৭১০ বর্গফুট ,২৫০ আসনের সুসজ্জিত মিলনায়তন (শব্দ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ),১০০ আসনের সুসজ্জিত সেমিনার কক্ষ, ৫০ জন পাঠকের পাঠ সুবিধাসহ ১০ হাজার গ্রন্থের ধারণ ক্ষমতাসহ সুসজ্জিত গ্রন্থাগার এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ গবেষণা কক্ষ।রংপুর জেলাকে বৃহত্তর বঙ্গপ্লাবন ভূমির অংশ মনে করা হয়। কিন্তু ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোন থেকে এর গঠন দেশের অন্যান্য জেলা থেকে আলাদা। এ জেলার ভূগঠন অতীতে উত্তরাঞ্চল প্রবাহমান কয়কটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন এবং ভূকম্পনজনিত ভুমি উত্তলনের সাথে জড়িত। তিস্তা নদীর আদি গতিপথ পরিবর্তন ছিল রংপুর জেলার ভূমি গঠনের ক্ষেত্রে অতিগুরুত্বপূর্ন। তিস্তানদী ১৭৮৭ সালের পূর্বে গঙ্গানদীর একটি উপনদী ছিল। তিস্তা সিকিম বা হিমালয়ে পরিচিত রাংগু ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত দিনাজপুর জেলার নিকট আত্রাই এর সাথে মিলিত হয়ে নিম্ন গঙ্গা নদীতে পতিত হতো। ১৮শ শতকে তিস্তা, আত্রাই নদীর পথ ধরে গঙ্গা ও বিছিন্ন কিছু খাল বিলের মাধ্যমে ব্রহ্মপুত্র, উভয় কিছু নদীর সাথে ঋতু ভিত্তিক সংযোগ করত। অপর নদী ধরলা তিস্তা থেকে নিম্ম হিমালয় অঞ্চল বৃহত্তর রংপুর জেলার পূর্ব দিক দিয়ে (বর্তমান কুড়িগ্রাম) ব্রহ্মপুত্র নদে মিলিত হয়েছে। ঘাঘট জেলার অপর একটি গুরুত্বপূর্ন নদ । ঘাঘট তিস্তার গর্ভ থেকে উৎপন্ন হয়ে রংপুর জেলার মধ্য দিয়ে দক্ষিনে গাইবান্ধা জেলা অতিক্রম করে করতোয়া নদীতে পতিত হয়। আত্রাই নদী এ সময় করতোয়া ও গঙ্গার মধ্যে সংযোগ রক্ষা করত।


বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় , বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ ,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রংপুর ,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় জব ,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় জব সার্কুলার ,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সার্কুলার ,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Latest Posts
Popular Posts